Wednesday, March 12, 2025

বাস্তব জীবনের মর্মান্তিক একটি গল্প


😭বাস্তব জীবনের মর্মান্তিক একটি গল্প চাই😭

একটি নিষ্পাপ স্বপ্নের করুণ পরিণতি

আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন,,,



সজীব ছিল একদম সাধারণ একটি ছেলে। বাবা ছিলেন দিনমজুর, মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই সজীবের স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে শিক্ষক হবে, বাচ্চাদের পড়াবে, সমাজে সম্মান পাবে। কিন্তু দরিদ্রতার কারণে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা চালাতে হয়েছিল তাকে।


কলেজে উঠার পর সজীব টিউশনি শুরু করল। সকালে ক্লাস, বিকেলে টিউশনি, রাতে নিজে পড়াশোনা—এই কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই তার দিন কাটত। কিন্তু এই কঠোর পরিশ্রমের মাঝেও সে কখনো তার স্বপ্ন থেকে সরে আসেনি।


একদিন হঠাৎই তার জীবনে নেমে এলো এক ভয়ানক বিপর্যয়। বাবার অসুস্থতা ধীরে ধীরে খারাপ হতে থাকল, চিকিৎসার জন্য দরকার অনেক টাকা। যে সামান্য উপার্জন করত, তা দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছিল, চিকিৎসা তো দূরের কথা!


চাপের মুখে পড়ে সজীব বাধ্য হয়ে আরও বেশি টিউশনি নিতে লাগল, কিন্তু নিজের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটতে থাকল। তবুও সে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল। তবে একসময় বাবার অবস্থার অবনতি হতে হতে একদিন হাসপাতালের বিছানায় চিরতরে থেমে গেল তার নিঃশ্বাস।


সজীব যেন একেবারে ভেঙে পড়ল। বাবাকে বাঁচাতে পারেনি, স্বপ্নও যেন ফিকে হতে থাকল। একদিকে পরিবারের দায়িত্ব, অন্যদিকে নিজের পড়াশোনা—সব মিলিয়ে সে দিশেহারা হয়ে পড়ল। একসময় আর টানতে পারল না, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আগের দিন রাতে একখণ্ড চিরকুট রেখে পৃথিবীকে বিদায় জানাল সে—


"আমি ক্লান্ত। খুব চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পারলাম না। মা, আমাকে ক্ষমা করো।"


সজীবের মৃত্যু কেবল তার পরিবারের জন্য নয়, সমাজের জন্যও এক ভয়ানক আঘাত হয়ে রইল। যেখানে তার উচিত ছিল স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাওয়া, সেখানে কঠিন বাস্তবতার শিকার হয়ে তাকে থেমে যেতে হলো।


এটি শুধু সজীবের গল্প নয়, আমাদের সমাজের অনেক হতভাগ্য তরুণের গল্প, যারা প্রতিদিন টিকে থাকার সংগ্রামে লড়ছে, কিন্তু সবসময় জয়ী

 হতে পারে না...

মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম 




Tuesday, January 7, 2025

বৃদ্ধাশ্রম কত কষ্টের জীবন এর একটি ঘটনা

রেহানা বেগমের বয়স ৭৫ বছর। একসময় তিনি ছিলেন একটি সুখী পরিবারের স্তম্ভ। দুই ছেলে, এক মেয়ে আর স্বামী নিয়ে তার জীবন ছিল পূর্ণ। সন্তানদের মানুষ করতে গিয়ে নিজের সব ইচ্ছা-স্বপ্ন বিসর্জন দিয়েছিলেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার জীবনের দৃশ্যপট পুরোপুরি পাল্টে গেল।

স্বামী মারা যাওয়ার পর ছেলে-মেয়েরা একে একে নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। একদিন বড় ছেলে বলল, "মা, তুমি তো বয়সে অনেক বড় হয়ে গেছ। আমাদের সময় নেই তোমার সেবা করার। বৃদ্ধাশ্রমে গেলে তুমি ভালো থাকবে।"

রেহানা বেগম কোনো কথা বললেন না। চোখের জল মুছে চলে গেলেন বৃদ্ধাশ্রমে।

বৃদ্ধাশ্রমের জীবনে কষ্ট আর নিঃসঙ্গতা তার নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে। আশ্রমের সবাই যেন তাকে দেখে তার নিজের দুঃখের কথা ভুলে থাকতে চেষ্টা করে। প্রতিদিন বিকেলে রেহানা বেগম চুপচাপ আশ্রমের বাগানে বসে থাকেন। দূরের আকাশে তাকিয়ে ভাবেন, "আমার সন্তানরা কি কখনো আমার কথা ভাবে? আমাকে কি একবার দেখতে আসবে?"

ঈদের দিন আসলে তিনি আরও বেশি ব্যাকুল হয়ে পড়েন। আশ্রমের অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধার সন্তানরা এদিন তাদের দেখতে আসে। কিন্তু রেহানা বেগমের সন্তানদের কেউ আসে না। একদিন তিনি আশ্রমের এক কর্মচারীকে বলেন, "জানো, আমি ওদের জন্য কত কষ্ট করে বড় করেছি। কিন্তু এখন ওদের কাছে আমি বোঝা। হয়তো একদিন ওরাও এই কষ্ট বুঝবে।"

বার্তা:

বৃদ্ধাশ্রমে থাকা মানুষদের জীবন একা এবং কষ্টকর। যাদের জন্য একসময় তারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাদের কাছ থেকেই তারা অবহেলা পান। আমাদের সবার উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের ভালোবাসা ও যত্ন দেওয়া। পরিবার ও সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া মানুষের প্রধান দায়িত্ব।

মোঃ রবিউল ইসলাম

Thursday, November 21, 2024

মা ও বাবাকে নিয়ে একটি গল্প যা হৃদয়কে স্পর্শ করে

 মা ও বাবাকে নিয়ে একটি গল্প যা হৃদয়কে স্পর্শ করে

আরো বিস্তারিত জানতে,,,,,,


একটি শান্ত গ্রামে রমেশ আর তার স্ত্রী মাধুরী তাদের দীর্ঘ জীবনের স্মৃতিগুলোকে সাথে নিয়ে কাটাচ্ছিলেন। তাদের সন্তানরা শহরে চাকরি ও পড়াশোনার কারণে দূরে থাকত, তাই এই বৃদ্ধ দম্পতি একে অপরের সঙ্গেই জীবনের প্রতিটি দিন উপভোগ করতেন।


রমেশ প্রতিদিন সকালে উঠে বাগানে পানি দিতেন, আর মাধুরী রান্নাঘরে তার প্রিয় গাছের ফল-সবজি দিয়ে নতুন কিছু রান্না করতেন। তাদের দিনগুলো সাদামাটা ছিল, তবে তাতে ভালোবাসার কোনো কমতি ছিল না। সন্ধ্যায় দুজনে একসঙ্গে বেঞ্চে বসে চা খেতেন এবং পুরনো দিনের গল্প করতেন।


একদিন মাধুরী বললেন, "তোমার মনে আছে, কেমন করে আমরা প্রথম এই বাড়ি তৈরি করেছিলাম?" রমেশ হেসে উত্তর দিলেন, "কীভাবে ভুলব? তুমি তো নিজ হাতে গাছ লাগিয়ে এই বাগানটা সাজিয়েছিলে।"


তাদের এই ভালোবাসা আর একে অপরের প্রতি যত্ন দেখে আশপাশের লোকজনও মুগ্ধ হতো। তারা বলত, "এই বৃদ্ধ দম্পতি আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। ভালোবাসা কীভাবে সময়কে অতিক্রম করতে পারে, তা আমরা এদের থেকেই শিখি।"


একদিন তাদের সন্তানরা ছুটিতে এসে মা-বাবার জন্য সারপ্রাইজ দিলো। তারা সবাই একসঙ্গে সময় কাটালো, হাসি-মজায় ভরপুর সেই দিনটা যেন রমেশ আর মাধুরীর জন্য জীবনের নতুন অধ্যায় হয়ে উঠল।


এই গল্প আমাদের শেখায়, জীবনের সব চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে যদি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা ধরে রাখা যায়, তবে সময়ের সাথে সম্পর্ক আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।


একটি ছোট্ট শহরে নীরা নামে এক কিশোরী তার মা-বাবার সঙ্গে থাকত। নীরা ছিল তাদের একমাত্র সন্তান। তার মা ছিলেন দয়ালু ও নরম মনের মানুষ, আর বাবা ছিলেন শান্ত ও মজবুত একজন কর্মী। নীরার জন্য তার মা-বাবাই ছিল পুরো পৃথিবী।


তবে তাদের জীবনটা সহজ ছিল না। বাবা দিনের বেলা কাঠের কাজ করতেন, আর মা ঘরে সেলাইয়ের কাজ করতেন। দুজনে মিলেই নীরার ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করতেন। নীরা পড়াশোনায় খুব মেধাবী ছিল এবং তার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। মা-বাবা তার এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিজেদের প্রতিটা আনন্দ বিসর্জন দিয়েছিলেন।


একদিন নীরা জানতে পারে, তার বাবার একটা গুরুতর শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা দরকার। এই খবর শুনে নীরার মনে দুঃখের পাহাড় ভেঙে পড়ে। সে ভাবল, তার পড়াশোনার টাকা বাবার চিকিৎসার জন্য খরচ করাই উচিত।


নীরা মাকে এ কথা বলতেই মা তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেন, "তুই আমার স্বপ্ন। তোর স্বপ্ন পূরণ হলে, তাতেই আমাদের চিকিৎসা হবে।" বাবা হাসি দিয়ে বললেন, "আমার শরীর থেকে বড় তোর ভবিষ্যৎ। তুই আমাদের গর্ব।"


মা-বাবার এই ত্যাগ দেখে নীরার চোখ ভিজে যায়। সে প্রতিজ্ঞা করে, কঠোর পরিশ্রম করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করবে এবং মা-বাবার জন্য একটা ভালো জীবন গড়বে।


কয়েক বছর পর, নীরা একজন সফল ডাক্তার হয়ে ফিরে আসে। তার প্রথম আয় দিয়ে সে বাবার চিকিৎসা করায়। মা-বাবার মুখে গর্ব আর আনন্দের হাসি দেখে নীরা বুঝতে পারে, তাদের ভালোবাসাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।


এমন আত্মত্যাগ আর ভালোবাসা শুধু মা-বাবার পক্ষেই সম্ভব। তারা তাদের সন্তানের জন্য জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে নিবেদন করে, বিনিময়ে চায় কেবল সন্তা

নের সুখ।



Friday, November 15, 2024

Bangladesh Army chief attends artillery commanders’ conference in Ctg/বাংলাদেশের সেনাপ্রধান চট্টগ্রামে আর্টিলারি কমান্ডার সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন/

 Bangladesh

Army chief attends artillery commanders’ conference in Ctg

See more......


Bangladesh Army Chief General Waker-Uz-Zaman recently attended the 43rd Annual Commanders’ Conference of the Regiment of Artillery in Chattogram. Held at the Artillery Center and School in Halishahar, the event highlighted the artillery regiment's contributions to national defense and future readiness.


During the conference, General Waker-Uz-Zaman emphasized the need for modern and up-to-date training to tackle 21st-century challenges. He also laid the foundation stone for the Chattogram Army Medical College Hospital, a 500-bed facility near Khillapara, aimed at improving healthcare for military personnel and civilians alike.


Additionally, the Chief introduced and honored the newly formed Army Air Defense Corps, handing over its flag to the Adhoc Army Air Defense Directorate, signifying its operational commencement. Senior military officers and commanders from various artillery units attended the event​​​​​​.

বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকের-উজ-জামান সম্প্রতি চট্টগ্রামে রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির ৪৩তম বার্ষিক কমান্ডার সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। হালিশহরের আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রতিরক্ষা এবং ভবিষ্যত প্রস্তুতিতে আর্টিলারি রেজিমেন্টের অবদান তুলে ধরা হয়।


সম্মেলনের সময়, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি চট্টগ্রাম আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, খিল্লাপাড়ার কাছে একটি 500 শয্যার সুবিধা, যার লক্ষ্য সামরিক কর্মীদের এবং বেসামরিক নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করা।


অতিরিক্তভাবে, প্রধান নবগঠিত আর্মি এয়ার ডিফেন্স কর্পসকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং সম্মান জানান, অ্যাডহক আর্মি এয়ার ডিফেন্স ডিরেক্টরেটের কাছে এর পতাকা হস্তান্তর করে, এটির অপারেশনাল শুরুর ইঙ্গিত দেয়। বিভিন্ন আর্টিলারি ইউনিটের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা ও কমান্ডাররা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


Thursday, November 14, 2024

বাঙালি জাতির সকাল ও বিকালের মনোরম দৃশ্য

 

বাঙালি জাতির সকাল ও বিকালের মনোরম দৃশ্য


আরো দেখুন,,,, এখানে ক্লিক করুন 


বাঙালি জাতির সকালে ও বিকালের মনোরম দৃশ্যের বর্ণনা প্রকৃতির সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং গ্রামীণ জীবনের সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে।


সকালে:


বাঙালি গ্রামে ভোরবেলা একটি মনোমুগ্ধকর অনুভূতি নিয়ে আসে। সূর্যোদয়ের সোনালী আলো ধীরে ধীরে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে, আর শিশিরভেজা ঘাস এবং গাছপালার উপর পড়া রোদের আভা মনোরম দৃশ্য তৈরি করে। এই সময়টায় গ্রামের মানুষজন নিজেদের কাজ শুরু করতে বের হয়। কৃষকরা মাঠে যায়, বাড়ির মহিলারা গরুর দুধ দোহায় এবং পুকুরে ঘুঙুরে হাঁস-মুরগির দৌরাত্ম্যে গ্রামের পুকুরঘাট জীবন্ত হয়ে ওঠে। চারপাশে পাখির কিচিরমিচির শব্দ এবং মৃদু শীতল বাতাস ভোরের সৌন্দর্যকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে।



বিকেলে:


বিকেল বেলা গ্রামে একটি শান্তিময় আবহ নিয়ে আসে। দিনের কাজ শেষে কৃষকরা বাড়ি ফিরে আসে। এই সময় মাঠে খেলার দৃশ্য দেখা যায়, যেখানে শিশুরা ধুলো উড়িয়ে খেলতে মেতে ওঠে। বিকেলের পড়ন্ত রোদ এবং সূর্যাস্তের সময় আকাশের লালচে-গোলাপি আভা প্রকৃতির রঙিন ছবি আঁকে। পাখিরা দলবেঁধে ঘরে ফিরে যায়, আর সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে আলো-আঁধারির খেলা শুরু হয়। চারপাশে প্রদীপ বা আলো জ্বলে ওঠে, আর সন্ধ্যার পরিবেশ সবার মনে এক প্রশান্তির আমেজ ছড়িয়ে দেয়।


এইভাবেই, বাঙালি জাতির সকাল ও বিকালের প্রকৃতি ও জীবনের দৃশ্য আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অপূর্ব প্রতিচ্ছবি তুলে 

ধরে।

ধন্যবাদ 

মোঃ রবিউল ইসলাম

Wednesday, November 13, 2024

লালন ফকিরের বাস্তব জীবনের গল্প

 লালন ফকিরের বাস্তব জীবনের গল্প 

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন 


লালন ফকির ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাউল সাধক ও দার্শনিক, যিনি মানবতাবাদ, সাম্য ও প্রীতির বাণী প্রচার করেছিলেন। তাঁর জীবনের গল্প ও জীবনদর্শন আজও মানুষকে প্রভাবিত করে চলেছে।


জন্ম ও প্রাথমিক জীবন


লালন ফকিরের জন্মস্থান বা সঠিক জন্মতারিখ নিয়ে স্পষ্ট তথ্য নেই। ধারণা করা হয়, তিনি ১৭৭৪ সালের দিকে তৎকালীন বাংলা অঞ্চলের কুষ্টিয়া জেলার ছেউড়িয়াতে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও তাঁর জীবনের প্রথম দিকের ব্যাপারে তথ্য স্বল্পতা রয়েছে, প্রচলিত কাহিনীতে জানা যায় যে, তিনি খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন। লালন শৈশবেই গানের প্রতি আকৃষ্ট হন।


গুরুতর অসুস্থতা ও জীবন-পরিবর্তন


লালনের জীবনের এক বড় ঘটনা ঘটে যখন তিনি যাত্রার সময় নদীতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কুষ্টিয়ার নিকটবর্তী নদী কালিগঙ্গায় গোসল করতে গিয়ে তাঁর দেহে এক অদ্ভুত রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে অজ্ঞান অবস্থায় কূলের কাছে পড়েছিলেন তিনি। তখন সিরাজ সাঁই নামে এক মুসলিম সাধু তাঁকে উদ্ধার করে নিজের আশ্রমে নিয়ে যান। সেই সময়েই লালনের জীবনধারায় বিরাট পরিবর্তন আসে এবং তিনি মরমী সাধনা শুরু করেন।


আধ্যাত্মিক জীবন ও দর্শন


লালন বাউল মতবাদে বিশ্বাস করতেন, যা মূলত ধর্মীয় সংকীর্ণতার বিরোধিতা করে এবং মানবজাতির মধ্যে একতা ও সাম্যের বাণী প্রচার করে। তিনি নিজের সৃষ্ট বাউল গানের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক বিষয়, দেহতত্ত্ব ও গুরুতত্ত্ব নিয়ে গান রচনা করেন। তাঁর গানে তিনি সমাজে প্রচলিত জাত-পাত, ধর্মীয় ভেদাভেদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করেছেন এবং "মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি" বলে মানুষকে সৎ ও মানবিক হতে অনুপ্রাণিত করেছেন।


প্রভাব ও উত্তরাধিকার


লালনের গান বাংলা লোকসংগীত এবং বাউল সংগীতের অঙ্গনে বিরাট প্রভাব বিস্তার করেছে। তাঁর দর্শন ও জীবনবোধ শুধু বাংলার গ্রামীণ সমাজেই নয়, আধুনিক বাংলার সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং মানবতাবাদী চিন্তাধারার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি কোনও লিখিত গ্রন্থ রচনা করেননি; তবে তাঁর শিষ্যরা তাঁর গান ও ভাবনা সংরক্ষণ করেছেন, যা পরবর্তীতে গবেষণা ও সাহিত্যচর্চায় স্থান পেয়েছে।


মৃত্যু


লালন ফকির ১৮৯০ সালের ১৭ই অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পরও তাঁর সৃষ্টি ও বাণী বর্তমান সময়ে প্রাসঙ্গিক এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর গানের চ

র্চা অব্যাহত রয়েছে।

ধন্যবাদ 

মোঃ রবিউল ইসলাম 


Sunday, November 10, 2024

Trump Dials Putin, Urges Him Not To Escalate War In Ukraine: Report

 Trump Dials Putin, Urges Him Not To Escalate War In Ukraine: Report


Following his recent election victory, President-elect Donald Trump reportedly called Russian President Vladimir Putin, urging him not to intensify military actions in Ukraine. Trump made the call from his Mar-a-Lago residence, emphasizing the U.S.'s significant military presence in Europe. This aligns with Trump’s campaign assertions that he could mediate an end to the Ukraine conflict. Though official statements from Trump’s team have not been issued, Kremlin spokesperson Dmitry Peskov noted the dialogue as “positive,” indicating a shift toward diplomacy rather than escalation​​.

তার সাম্প্রতিক নির্বাচনে জয়লাভের পর, প্রেসিডেন্ট-নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ফোন করে ইউক্রেনে সামরিক তৎপরতা জোরদার না করার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প তার মার-এ-লাগো বাসভবন থেকে এই আহ্বান জানিয়েছিলেন, ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সামরিক উপস্থিতির উপর জোর দিয়েছিলেন। এটি ট্রাম্পের প্রচারণার দাবির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে তিনি ইউক্রেন সংঘাতের অবসান ঘটাতে মধ্যস্থতা করতে পারেন। যদিও ট্রাম্পের দল থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সংলাপটিকে "ইতিবাচক" হিসাবে উল্লেখ করেছেন, যা ক্রমবর্ধমান না হয়ে কূটনীতির দিকে একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। 

See more


তাদের ছায়া”

 তাদের ছায়া” আরো কিছু জানতে এখানে ক্লিক করুন   একটি ছোট গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নিল রাহুল। বাবার ছিল না বড় কোনো চাকরি, আর মা ছিলেন গ...