Thursday, July 17, 2025

তাদের ছায়া”

 তাদের ছায়া”

আরো কিছু জানতে এখানে ক্লিক করুন 



একটি ছোট গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নিল রাহুল। বাবার ছিল না বড় কোনো চাকরি, আর মা ছিলেন গৃহিণী। তবুও বাবা প্রতিদিন ভোরে উঠে কাজ করতে যেতেন, যাতে ছেলের স্কুল ফি দিতে পারেন। মা নিজে ভালো খাবার না খেলেও রাহুলের জন্য প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার তৈরি করতেন।

একদিন স্কুল থেকে ফিরে রাহুল রাগ করে বলল, "আমার বন্ধুরা সবাই ভালো মোবাইল ফোন, দামি জামাকাপড় পরে। আমি সবকিছুর থেকে বঞ্চিত। তোমরা আমার জন্য কিছুই করতে পারো না!"

বাবা চুপ করে পাশের ঘরে চলে গেলেন। মা চোখের পানি চেপে শুধু বললেন, "আমরা তোমার জন্য অনেক কিছু করছি, কিন্তু সেটা তুমি আজ বুঝবে না।"

বছর কেটে গেল। রাহুল বড় হল, ভালো চাকরি পেল শহরে। তারপর একদিন ছুটি নিয়ে বাড়ি এল। তখন বাবা অসুস্থ, আর মা আগের মতো চঞ্চল নেই।

সেই রাতে মা-বাবার ঘরে ঢুকে রাহুল দেখতে পেল পুরোনো একটা ডায়রির ভেতরে লেখা—

> "আজ ছেলের স্কুল ফি দিতে গিয়ে নিজের ওষুধ কিনতে পারিনি। কিন্তু তাতে কোনো আফসোস নেই। আমার রাহুল একদিন বুঝবে, বাবা-মা শুধু ভালো জামা বা ফোন দিতে জানে না, তারা নিজেকে বিস

Sunday, May 18, 2025

গল্পের নাম: “নিজের লাভ”

 গল্পের নাম: “নিজের লাভ”

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

রাকিব সবসময় নিজের স্বার্থটাই আগে দেখে। বন্ধুত্ব, আত্মীয়তা, সহানুভূতি—সবই তার কাছে তখনই গুরুত্বপূর্ণ, যখন এতে তার কোনো লাভ হয়।


একবার রাকিবের অফিসে নতুন এক সহকর্মী যোগ দিল—তামান্না। মেয়ে খুব মেধাবী আর আন্তরিক। রাকিব বুঝতে পারলো, তামান্নার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা করলে বসের নজরে আসা যাবে। তাই সে তামান্নার সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করতে লাগল। প্রতিদিন চা-নাশতা এনে দিত, ফাইল বানাতে সাহায্য করত—সবকিছুই করত শুধুই নিজের ফায়দার জন্য।

কয়েক মাস পরে তামান্না প্রমোশন পেল। বস তামান্নাকে রাকিবের থেকে বেশি যোগ্য মনে করলেন। রাকিব এতে ক্ষেপে গিয়ে তামান্নার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করল—বলে, সে অফিসের তথ্য বাইরে পাচার করছে।

তদন্ত শুরু হলো। কিন্তু সত্য বের হতে সময় লাগল না। তামান্না নির্দোষ প্রমাণিত হলো, আর রাকিবের স্বার্থপর চাল ধরা পড়ে গেল। অফিস তাকে বরখাস্ত করল।

গল্পের শেষে, রাকিব একা হয়ে গেল। কেউ তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাইল না। কারণ সবাই বুঝে গিয়েছিল—রাকিবের সম্পর্ক মানে, শুধুই নিজের লাভ।


---

এই গল্পের মাধ্যমে একটি শিক্ষা পাওয়া যায়—স্বার্থপরতা দিয়ে সাময়িক লাভ হলেও, শেষ পর্যন্ত মানুষ একা হয়ে পড়ে।

Monday, April 28, 2025

মা-বাবার শেষ ঠিকানা কেন বৃদ্ধাশ্রম?"

 গল্প: শেষ ঠিকানা

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন


রাহুল ছোটবেলায় মায়ের আঁচল ধরে হাঁটতে শিখেছিল। বাবা তাকে স্কুলে নিয়ে যেতেন কাঁধে তুলে। সংসারে টানাটানি ছিল, তবু মায়ের মুখে কখনো অভিযোগ দেখেনি সে। বাবা অতিরিক্ত কাজ করে ছেলের পড়াশোনার খরচ চালিয়েছেন, মা নিজের গয়না বিক্রি করে তাকে শহরের ভালো স্কুলে ভর্তি করিয়েছিলেন।

রাহুল বড় হয়েছে, বিদেশে পড়তে গেছে, চাকরি পেয়েছে। তখনো প্রতি সপ্তাহে ফোন আসত —
— "মা, চিন্তা কোরো না, তোমাদের খুব বড় বাড়ি কিনে দেব।"
— "বাবা, একদিন নিয়ে আসব তোমাদের আমার কাছে।"

কিন্তু দিন পেরিয়ে গেল। কথা হারিয়ে গেলো।
ফোন আসত, তবে সংখ্যায় কম। মায়ের জিজ্ঞাসু গলা, বাবার স্তব্ধতা — সবই ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে গেল।

একদিন রাহুল ঠিক করল — মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসবে। ভালো জায়গা। সব সুবিধা আছে। অন্তত মনে হবে, দায়িত্ব পালন করেছে।

সেইদিন বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে মা বলেছিলেন,
— "তুই যখন ছোট ছিলি, জ্বর হলে সারারাত তোর মাথায় জলপট্টি দিয়েছি। তোকে তো বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাইনি রে বাবা।"

বাবা কিছু বলেননি। শুধু পুরনো লাঠিটা টিপে ধীরে ধীরে উঠেছিলেন। চোখের কোনা ভিজে ছিল।
তারা গাড়িতে চেপে বসেছিলেন, বাড়ির দিকে শেষবারের মতো তাকিয়েছিলেন —
ঝরা পাতার মতো নিঃশব্দ এক বিদায়।

বৃদ্ধাশ্রমে দিনগুলো চলতে লাগলো। মা সকালবেলা চুপিচুপি মাটির দিকে তাকিয়ে থাকতেন। মাঝে মাঝে মাটির ওপর আঙুল দিয়ে লিখে রাখতেন — "রাহুল"।
বাবা এক কোণে বসে পুরনো ঘড়ি খুলে দেখতেন — ঠিক কখন রাহুল ফোন করবে।
দিন পেরিয়ে সপ্তাহ, মাস...

একদিন মা অসুস্থ হয়ে পড়লেন। শেষ মুহূর্তে তিনি বৃদ্ধাশ্রমের সেবিকাকে বলেছিলেন —
— "আমার ছেলেটাকে একবার দেখতে পারি?"

সেবিকা অনেক চেষ্টা করেছিল, ফোন দিয়েছিল।
রাহুল বলেছিল,
— "আমি খুব ব্যস্ত। মিটিং শেষ হলে চেষ্টা করব।"

মা চোখ বন্ধ করে মৃদু হাসলেন।
— "ঠিক আছে। দেখা না হলে, মনে মনে দেখব।"
সেদিনই তিনি চুপচাপ চলে গেলেন — ছেলেকে একটিবার না দেখেই।

রাহুল এসেছিল অনেক পরে। বৃদ্ধাশ্রমের করিডরে দাঁড়িয়ে, মা-বাবার খালি বিছানা দেখে এক অদ্ভুত হাহাকার অনুভব করেছিল।
বিছানার পাশে একটা পুরনো খাতা পড়ে ছিল।
খোলার পর দেখল —
মা প্রতিদিন সেখানে লিখে রেখেছিলেন —
— "আজও রাহুল আসেনি। আসবে। একদিন আসবেই।"

রাহুল হাঁটু গেড়ে মাটিতে বসে পড়ে অঝোরে কাঁদতে লাগল।
কিন্তু তখন আর কোনো হাত বাড়িয়ে তার কান্না মুছিয়ে দেওয়ার মতো ছিল না।
কেবল নিস্তব্ধ আকাশ আর ফাঁকা বিছানার মাঝখানে রয়ে গেল তার অতৃপ্ত ভালোবাসার আক্ষেপ।

মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম 



Wednesday, March 12, 2025

বাস্তব জীবনের মর্মান্তিক একটি গল্প


😭বাস্তব জীবনের মর্মান্তিক একটি গল্প চাই😭

একটি নিষ্পাপ স্বপ্নের করুণ পরিণতি

আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন,,,



সজীব ছিল একদম সাধারণ একটি ছেলে। বাবা ছিলেন দিনমজুর, মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই সজীবের স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে শিক্ষক হবে, বাচ্চাদের পড়াবে, সমাজে সম্মান পাবে। কিন্তু দরিদ্রতার কারণে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা চালাতে হয়েছিল তাকে।


কলেজে উঠার পর সজীব টিউশনি শুরু করল। সকালে ক্লাস, বিকেলে টিউশনি, রাতে নিজে পড়াশোনা—এই কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই তার দিন কাটত। কিন্তু এই কঠোর পরিশ্রমের মাঝেও সে কখনো তার স্বপ্ন থেকে সরে আসেনি।


একদিন হঠাৎই তার জীবনে নেমে এলো এক ভয়ানক বিপর্যয়। বাবার অসুস্থতা ধীরে ধীরে খারাপ হতে থাকল, চিকিৎসার জন্য দরকার অনেক টাকা। যে সামান্য উপার্জন করত, তা দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছিল, চিকিৎসা তো দূরের কথা!


চাপের মুখে পড়ে সজীব বাধ্য হয়ে আরও বেশি টিউশনি নিতে লাগল, কিন্তু নিজের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটতে থাকল। তবুও সে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল। তবে একসময় বাবার অবস্থার অবনতি হতে হতে একদিন হাসপাতালের বিছানায় চিরতরে থেমে গেল তার নিঃশ্বাস।


সজীব যেন একেবারে ভেঙে পড়ল। বাবাকে বাঁচাতে পারেনি, স্বপ্নও যেন ফিকে হতে থাকল। একদিকে পরিবারের দায়িত্ব, অন্যদিকে নিজের পড়াশোনা—সব মিলিয়ে সে দিশেহারা হয়ে পড়ল। একসময় আর টানতে পারল না, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আগের দিন রাতে একখণ্ড চিরকুট রেখে পৃথিবীকে বিদায় জানাল সে—


"আমি ক্লান্ত। খুব চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পারলাম না। মা, আমাকে ক্ষমা করো।"


সজীবের মৃত্যু কেবল তার পরিবারের জন্য নয়, সমাজের জন্যও এক ভয়ানক আঘাত হয়ে রইল। যেখানে তার উচিত ছিল স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাওয়া, সেখানে কঠিন বাস্তবতার শিকার হয়ে তাকে থেমে যেতে হলো।


এটি শুধু সজীবের গল্প নয়, আমাদের সমাজের অনেক হতভাগ্য তরুণের গল্প, যারা প্রতিদিন টিকে থাকার সংগ্রামে লড়ছে, কিন্তু সবসময় জয়ী

 হতে পারে না...

মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম 




Tuesday, January 7, 2025

বৃদ্ধাশ্রম কত কষ্টের জীবন এর একটি ঘটনা

রেহানা বেগমের বয়স ৭৫ বছর। একসময় তিনি ছিলেন একটি সুখী পরিবারের স্তম্ভ। দুই ছেলে, এক মেয়ে আর স্বামী নিয়ে তার জীবন ছিল পূর্ণ। সন্তানদের মানুষ করতে গিয়ে নিজের সব ইচ্ছা-স্বপ্ন বিসর্জন দিয়েছিলেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার জীবনের দৃশ্যপট পুরোপুরি পাল্টে গেল।

স্বামী মারা যাওয়ার পর ছেলে-মেয়েরা একে একে নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। একদিন বড় ছেলে বলল, "মা, তুমি তো বয়সে অনেক বড় হয়ে গেছ। আমাদের সময় নেই তোমার সেবা করার। বৃদ্ধাশ্রমে গেলে তুমি ভালো থাকবে।"

রেহানা বেগম কোনো কথা বললেন না। চোখের জল মুছে চলে গেলেন বৃদ্ধাশ্রমে।

বৃদ্ধাশ্রমের জীবনে কষ্ট আর নিঃসঙ্গতা তার নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে। আশ্রমের সবাই যেন তাকে দেখে তার নিজের দুঃখের কথা ভুলে থাকতে চেষ্টা করে। প্রতিদিন বিকেলে রেহানা বেগম চুপচাপ আশ্রমের বাগানে বসে থাকেন। দূরের আকাশে তাকিয়ে ভাবেন, "আমার সন্তানরা কি কখনো আমার কথা ভাবে? আমাকে কি একবার দেখতে আসবে?"

ঈদের দিন আসলে তিনি আরও বেশি ব্যাকুল হয়ে পড়েন। আশ্রমের অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধার সন্তানরা এদিন তাদের দেখতে আসে। কিন্তু রেহানা বেগমের সন্তানদের কেউ আসে না। একদিন তিনি আশ্রমের এক কর্মচারীকে বলেন, "জানো, আমি ওদের জন্য কত কষ্ট করে বড় করেছি। কিন্তু এখন ওদের কাছে আমি বোঝা। হয়তো একদিন ওরাও এই কষ্ট বুঝবে।"

বার্তা:

বৃদ্ধাশ্রমে থাকা মানুষদের জীবন একা এবং কষ্টকর। যাদের জন্য একসময় তারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাদের কাছ থেকেই তারা অবহেলা পান। আমাদের সবার উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের ভালোবাসা ও যত্ন দেওয়া। পরিবার ও সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া মানুষের প্রধান দায়িত্ব।

মোঃ রবিউল ইসলাম

Thursday, November 21, 2024

মা ও বাবাকে নিয়ে একটি গল্প যা হৃদয়কে স্পর্শ করে

 মা ও বাবাকে নিয়ে একটি গল্প যা হৃদয়কে স্পর্শ করে

আরো বিস্তারিত জানতে,,,,,,


একটি শান্ত গ্রামে রমেশ আর তার স্ত্রী মাধুরী তাদের দীর্ঘ জীবনের স্মৃতিগুলোকে সাথে নিয়ে কাটাচ্ছিলেন। তাদের সন্তানরা শহরে চাকরি ও পড়াশোনার কারণে দূরে থাকত, তাই এই বৃদ্ধ দম্পতি একে অপরের সঙ্গেই জীবনের প্রতিটি দিন উপভোগ করতেন।


রমেশ প্রতিদিন সকালে উঠে বাগানে পানি দিতেন, আর মাধুরী রান্নাঘরে তার প্রিয় গাছের ফল-সবজি দিয়ে নতুন কিছু রান্না করতেন। তাদের দিনগুলো সাদামাটা ছিল, তবে তাতে ভালোবাসার কোনো কমতি ছিল না। সন্ধ্যায় দুজনে একসঙ্গে বেঞ্চে বসে চা খেতেন এবং পুরনো দিনের গল্প করতেন।


একদিন মাধুরী বললেন, "তোমার মনে আছে, কেমন করে আমরা প্রথম এই বাড়ি তৈরি করেছিলাম?" রমেশ হেসে উত্তর দিলেন, "কীভাবে ভুলব? তুমি তো নিজ হাতে গাছ লাগিয়ে এই বাগানটা সাজিয়েছিলে।"


তাদের এই ভালোবাসা আর একে অপরের প্রতি যত্ন দেখে আশপাশের লোকজনও মুগ্ধ হতো। তারা বলত, "এই বৃদ্ধ দম্পতি আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। ভালোবাসা কীভাবে সময়কে অতিক্রম করতে পারে, তা আমরা এদের থেকেই শিখি।"


একদিন তাদের সন্তানরা ছুটিতে এসে মা-বাবার জন্য সারপ্রাইজ দিলো। তারা সবাই একসঙ্গে সময় কাটালো, হাসি-মজায় ভরপুর সেই দিনটা যেন রমেশ আর মাধুরীর জন্য জীবনের নতুন অধ্যায় হয়ে উঠল।


এই গল্প আমাদের শেখায়, জীবনের সব চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে যদি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা ধরে রাখা যায়, তবে সময়ের সাথে সম্পর্ক আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।


একটি ছোট্ট শহরে নীরা নামে এক কিশোরী তার মা-বাবার সঙ্গে থাকত। নীরা ছিল তাদের একমাত্র সন্তান। তার মা ছিলেন দয়ালু ও নরম মনের মানুষ, আর বাবা ছিলেন শান্ত ও মজবুত একজন কর্মী। নীরার জন্য তার মা-বাবাই ছিল পুরো পৃথিবী।


তবে তাদের জীবনটা সহজ ছিল না। বাবা দিনের বেলা কাঠের কাজ করতেন, আর মা ঘরে সেলাইয়ের কাজ করতেন। দুজনে মিলেই নীরার ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করতেন। নীরা পড়াশোনায় খুব মেধাবী ছিল এবং তার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। মা-বাবা তার এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিজেদের প্রতিটা আনন্দ বিসর্জন দিয়েছিলেন।


একদিন নীরা জানতে পারে, তার বাবার একটা গুরুতর শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা দরকার। এই খবর শুনে নীরার মনে দুঃখের পাহাড় ভেঙে পড়ে। সে ভাবল, তার পড়াশোনার টাকা বাবার চিকিৎসার জন্য খরচ করাই উচিত।


নীরা মাকে এ কথা বলতেই মা তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেন, "তুই আমার স্বপ্ন। তোর স্বপ্ন পূরণ হলে, তাতেই আমাদের চিকিৎসা হবে।" বাবা হাসি দিয়ে বললেন, "আমার শরীর থেকে বড় তোর ভবিষ্যৎ। তুই আমাদের গর্ব।"


মা-বাবার এই ত্যাগ দেখে নীরার চোখ ভিজে যায়। সে প্রতিজ্ঞা করে, কঠোর পরিশ্রম করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করবে এবং মা-বাবার জন্য একটা ভালো জীবন গড়বে।


কয়েক বছর পর, নীরা একজন সফল ডাক্তার হয়ে ফিরে আসে। তার প্রথম আয় দিয়ে সে বাবার চিকিৎসা করায়। মা-বাবার মুখে গর্ব আর আনন্দের হাসি দেখে নীরা বুঝতে পারে, তাদের ভালোবাসাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।


এমন আত্মত্যাগ আর ভালোবাসা শুধু মা-বাবার পক্ষেই সম্ভব। তারা তাদের সন্তানের জন্য জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে নিবেদন করে, বিনিময়ে চায় কেবল সন্তা

নের সুখ।



Friday, November 15, 2024

Bangladesh Army chief attends artillery commanders’ conference in Ctg/বাংলাদেশের সেনাপ্রধান চট্টগ্রামে আর্টিলারি কমান্ডার সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন/

 Bangladesh

Army chief attends artillery commanders’ conference in Ctg

See more......


Bangladesh Army Chief General Waker-Uz-Zaman recently attended the 43rd Annual Commanders’ Conference of the Regiment of Artillery in Chattogram. Held at the Artillery Center and School in Halishahar, the event highlighted the artillery regiment's contributions to national defense and future readiness.


During the conference, General Waker-Uz-Zaman emphasized the need for modern and up-to-date training to tackle 21st-century challenges. He also laid the foundation stone for the Chattogram Army Medical College Hospital, a 500-bed facility near Khillapara, aimed at improving healthcare for military personnel and civilians alike.


Additionally, the Chief introduced and honored the newly formed Army Air Defense Corps, handing over its flag to the Adhoc Army Air Defense Directorate, signifying its operational commencement. Senior military officers and commanders from various artillery units attended the event​​​​​​.

বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকের-উজ-জামান সম্প্রতি চট্টগ্রামে রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির ৪৩তম বার্ষিক কমান্ডার সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। হালিশহরের আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রতিরক্ষা এবং ভবিষ্যত প্রস্তুতিতে আর্টিলারি রেজিমেন্টের অবদান তুলে ধরা হয়।


সম্মেলনের সময়, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি চট্টগ্রাম আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, খিল্লাপাড়ার কাছে একটি 500 শয্যার সুবিধা, যার লক্ষ্য সামরিক কর্মীদের এবং বেসামরিক নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করা।


অতিরিক্তভাবে, প্রধান নবগঠিত আর্মি এয়ার ডিফেন্স কর্পসকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং সম্মান জানান, অ্যাডহক আর্মি এয়ার ডিফেন্স ডিরেক্টরেটের কাছে এর পতাকা হস্তান্তর করে, এটির অপারেশনাল শুরুর ইঙ্গিত দেয়। বিভিন্ন আর্টিলারি ইউনিটের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা ও কমান্ডাররা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


তাদের ছায়া”

 তাদের ছায়া” আরো কিছু জানতে এখানে ক্লিক করুন   একটি ছোট গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নিল রাহুল। বাবার ছিল না বড় কোনো চাকরি, আর মা ছিলেন গ...