Thursday, November 14, 2024

বাঙালি জাতির সকাল ও বিকালের মনোরম দৃশ্য

 

বাঙালি জাতির সকাল ও বিকালের মনোরম দৃশ্য


আরো দেখুন,,,, এখানে ক্লিক করুন 


বাঙালি জাতির সকালে ও বিকালের মনোরম দৃশ্যের বর্ণনা প্রকৃতির সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং গ্রামীণ জীবনের সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে।


সকালে:


বাঙালি গ্রামে ভোরবেলা একটি মনোমুগ্ধকর অনুভূতি নিয়ে আসে। সূর্যোদয়ের সোনালী আলো ধীরে ধীরে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে, আর শিশিরভেজা ঘাস এবং গাছপালার উপর পড়া রোদের আভা মনোরম দৃশ্য তৈরি করে। এই সময়টায় গ্রামের মানুষজন নিজেদের কাজ শুরু করতে বের হয়। কৃষকরা মাঠে যায়, বাড়ির মহিলারা গরুর দুধ দোহায় এবং পুকুরে ঘুঙুরে হাঁস-মুরগির দৌরাত্ম্যে গ্রামের পুকুরঘাট জীবন্ত হয়ে ওঠে। চারপাশে পাখির কিচিরমিচির শব্দ এবং মৃদু শীতল বাতাস ভোরের সৌন্দর্যকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে।



বিকেলে:


বিকেল বেলা গ্রামে একটি শান্তিময় আবহ নিয়ে আসে। দিনের কাজ শেষে কৃষকরা বাড়ি ফিরে আসে। এই সময় মাঠে খেলার দৃশ্য দেখা যায়, যেখানে শিশুরা ধুলো উড়িয়ে খেলতে মেতে ওঠে। বিকেলের পড়ন্ত রোদ এবং সূর্যাস্তের সময় আকাশের লালচে-গোলাপি আভা প্রকৃতির রঙিন ছবি আঁকে। পাখিরা দলবেঁধে ঘরে ফিরে যায়, আর সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে আলো-আঁধারির খেলা শুরু হয়। চারপাশে প্রদীপ বা আলো জ্বলে ওঠে, আর সন্ধ্যার পরিবেশ সবার মনে এক প্রশান্তির আমেজ ছড়িয়ে দেয়।


এইভাবেই, বাঙালি জাতির সকাল ও বিকালের প্রকৃতি ও জীবনের দৃশ্য আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অপূর্ব প্রতিচ্ছবি তুলে 

ধরে।

ধন্যবাদ 

মোঃ রবিউল ইসলাম

Wednesday, November 13, 2024

লালন ফকিরের বাস্তব জীবনের গল্প

 লালন ফকিরের বাস্তব জীবনের গল্প 

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন 


লালন ফকির ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাউল সাধক ও দার্শনিক, যিনি মানবতাবাদ, সাম্য ও প্রীতির বাণী প্রচার করেছিলেন। তাঁর জীবনের গল্প ও জীবনদর্শন আজও মানুষকে প্রভাবিত করে চলেছে।


জন্ম ও প্রাথমিক জীবন


লালন ফকিরের জন্মস্থান বা সঠিক জন্মতারিখ নিয়ে স্পষ্ট তথ্য নেই। ধারণা করা হয়, তিনি ১৭৭৪ সালের দিকে তৎকালীন বাংলা অঞ্চলের কুষ্টিয়া জেলার ছেউড়িয়াতে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও তাঁর জীবনের প্রথম দিকের ব্যাপারে তথ্য স্বল্পতা রয়েছে, প্রচলিত কাহিনীতে জানা যায় যে, তিনি খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন। লালন শৈশবেই গানের প্রতি আকৃষ্ট হন।


গুরুতর অসুস্থতা ও জীবন-পরিবর্তন


লালনের জীবনের এক বড় ঘটনা ঘটে যখন তিনি যাত্রার সময় নদীতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কুষ্টিয়ার নিকটবর্তী নদী কালিগঙ্গায় গোসল করতে গিয়ে তাঁর দেহে এক অদ্ভুত রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে অজ্ঞান অবস্থায় কূলের কাছে পড়েছিলেন তিনি। তখন সিরাজ সাঁই নামে এক মুসলিম সাধু তাঁকে উদ্ধার করে নিজের আশ্রমে নিয়ে যান। সেই সময়েই লালনের জীবনধারায় বিরাট পরিবর্তন আসে এবং তিনি মরমী সাধনা শুরু করেন।


আধ্যাত্মিক জীবন ও দর্শন


লালন বাউল মতবাদে বিশ্বাস করতেন, যা মূলত ধর্মীয় সংকীর্ণতার বিরোধিতা করে এবং মানবজাতির মধ্যে একতা ও সাম্যের বাণী প্রচার করে। তিনি নিজের সৃষ্ট বাউল গানের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক বিষয়, দেহতত্ত্ব ও গুরুতত্ত্ব নিয়ে গান রচনা করেন। তাঁর গানে তিনি সমাজে প্রচলিত জাত-পাত, ধর্মীয় ভেদাভেদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করেছেন এবং "মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি" বলে মানুষকে সৎ ও মানবিক হতে অনুপ্রাণিত করেছেন।


প্রভাব ও উত্তরাধিকার


লালনের গান বাংলা লোকসংগীত এবং বাউল সংগীতের অঙ্গনে বিরাট প্রভাব বিস্তার করেছে। তাঁর দর্শন ও জীবনবোধ শুধু বাংলার গ্রামীণ সমাজেই নয়, আধুনিক বাংলার সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং মানবতাবাদী চিন্তাধারার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি কোনও লিখিত গ্রন্থ রচনা করেননি; তবে তাঁর শিষ্যরা তাঁর গান ও ভাবনা সংরক্ষণ করেছেন, যা পরবর্তীতে গবেষণা ও সাহিত্যচর্চায় স্থান পেয়েছে।


মৃত্যু


লালন ফকির ১৮৯০ সালের ১৭ই অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পরও তাঁর সৃষ্টি ও বাণী বর্তমান সময়ে প্রাসঙ্গিক এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর গানের চ

র্চা অব্যাহত রয়েছে।

ধন্যবাদ 

মোঃ রবিউল ইসলাম 


Sunday, November 10, 2024

Trump Dials Putin, Urges Him Not To Escalate War In Ukraine: Report

 Trump Dials Putin, Urges Him Not To Escalate War In Ukraine: Report


Following his recent election victory, President-elect Donald Trump reportedly called Russian President Vladimir Putin, urging him not to intensify military actions in Ukraine. Trump made the call from his Mar-a-Lago residence, emphasizing the U.S.'s significant military presence in Europe. This aligns with Trump’s campaign assertions that he could mediate an end to the Ukraine conflict. Though official statements from Trump’s team have not been issued, Kremlin spokesperson Dmitry Peskov noted the dialogue as “positive,” indicating a shift toward diplomacy rather than escalation​​.

তার সাম্প্রতিক নির্বাচনে জয়লাভের পর, প্রেসিডেন্ট-নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ফোন করে ইউক্রেনে সামরিক তৎপরতা জোরদার না করার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প তার মার-এ-লাগো বাসভবন থেকে এই আহ্বান জানিয়েছিলেন, ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সামরিক উপস্থিতির উপর জোর দিয়েছিলেন। এটি ট্রাম্পের প্রচারণার দাবির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে তিনি ইউক্রেন সংঘাতের অবসান ঘটাতে মধ্যস্থতা করতে পারেন। যদিও ট্রাম্পের দল থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সংলাপটিকে "ইতিবাচক" হিসাবে উল্লেখ করেছেন, যা ক্রমবর্ধমান না হয়ে কূটনীতির দিকে একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। 

See more


গল্পের নাম "অন্য আলো

 গল্পের নাম "অন্য আলো"।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন




গল্পের সারসংক্ষেপ:


গ্রামের একটি ছোট্ট ছেলে, রহিম, তার জীবনকেই একমুখী মনে করত। দারিদ্র্যতার বেড়াজালে আটকে থাকা তার পরিবারে যেন কোনো স্বপ্নই পূরণ হওয়ার সুযোগ নেই। তার মা-বাবা সারাদিন কাজ করে কোনোভাবে দিন পার করলেও, রহিমের মন সবসময়ই উন্মুখ থাকে নতুন কিছু জানার জন্য। বই পড়ার শখ হলেও, বই কেনার সামর্থ্য নেই তাদের। একদিন, গ্রামের মেলা থেকে একটা পুরোনো বইয়ের পৃষ্ঠা পায় সে। পৃষ্ঠায় লেখা কয়েকটি লাইন তাকে ভীষণ প্রভাবিত করে।


তারপর থেকে সে ঠিক করে, যে করেই হোক, সে নিজেকে পড়াশোনায় এগিয়ে নিয়ে যাবে। প্রতিদিন সে গ্রামের পাঠশালায় যায়, যা করতে বেশ কষ্ট হয় তাকে। কারণ সেখানে প্রায়ই তার জন্য উপহাসের পরিবেশ তৈরি হয়, সে শিক্ষকদের সব কথাই ঠিকমতো বুঝতে পারে না বলে। তবে ধীরে ধীরে সে গ্রাম এবং বাইরে থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন বই পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে থাকে।


এদিকে রহিমের এই প্রচেষ্টা দেখে গ্রামের কিছু মানুষ তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। তারা ছোট্ট একটা পাঠাগার তৈরিতে সাহায্য করে। রহিম সেই পাঠাগারের বই পড়িয়ে গ্রামের ছোট ছেলেমেয়েদেরও অনুপ্রাণিত করে। সবাই তাকে ‘অন্য আলো’ বলে ডাকে, কারণ সে গ্রামের সকলকে আলোকিত করতে থাকে।


এক সময় রহিমের প্রচেষ্টার ফলাফল হিসেবে গ্রামের বেশ কিছু শিশুরা পড়াশোনায় অনেক এগিয়ে যায়, এবং তারা শহরে গিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করতে শুরু করে। রহিম নিজের জীবনের কষ্ট আর সংগ্রামের মাঝে অন্যের জীবনে আলো এনে তার জীবনকে পরিপূর্ণভাবে বদলে ফেলে।


এই গল্পের মূল বার্তা: জীবনে প্রতিকূলতা যতই থাকুক না কেন, কেউ যদি সত্যিকারের ইচ্ছে এবং কঠোর পরিশ্রম করে, তবে সে নিজেও বদলাতে পারে এবং অন্যের জীবনেও আলো ছড়িয়ে দিতে পারে।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন


Monday, November 4, 2024

এক অভাগা নারীর গল্প

 

  •  এক অভাগা নারীর গল্প

  • বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

  • এক 
  • সময়ের কথা। গ্রামের এক দরিদ্র ঘরে জন্ম নেয় এক মেয়ে, নাম তার ফুলমণি। ফুলমণির জন্মের পর থেকেই নানা বিপদ-আপদে জর্জরিত হয় তার জীবন। মা-বাবা দুজনই শ্রমিক, সারাদিন খেটে দিন শেষে এক মুঠো ভাত জোগাড় করতে হিমশিম খেতেন। ছোটবেলাতেই মা মারা গেলে ফুলমণি সংসারের সমস্ত কাজের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয়।
ফুলমণি দেখতে সুন্দর ছিল, কিন্তু ভাগ্য ছিল তার কঠিন। গ্রামের মানুষজন মেয়েটিকে সহানুভূতির চোখে দেখলেও, কেউ তার পাশে দাঁড়াতে সাহস করত না। একদিন গ্রামেরই এক ধনী পরিবারের ছেলে মেয়েটিকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করে। কিন্তু সংসারের চাপে, বিয়ের পরেও ফুলমণির জীবনটা বদলায় না।

স্বামীর পরিবার ফুলমণিকে আপন করে নেয় না, বরং নানা অজুহাতে তাকে কাজে কাজে নানাভাবে নির্যাতন করতে শুরু করে। একদিন ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে ফুলমণি। স্বামীও তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চায় না।

এরপরেও ফুলমণি হাল ছাড়েনি। নিজের ছোট ছোট স্বপ্নগুলো বাঁচিয়ে রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যায়। অনেক কষ্টের পর, তার ছেলেমেয়েরা একটু একটু করে বড় হয় এবং তাদের মানুষ করতে গিয়ে ফুলমণি যেন নিজের জীবনকে বিসর্জন দেয়।

শেষ পর্যন্ত যখন ছেলেমেয়েরা নিজের পায়ে দাঁড়ায়, ফুলমণির মনে শান্তি আসে। নিজের সকল কষ্ট ভুলে সে খুশি থাকে এই ভেবে যে, তার সংগ্রামের ফলস্বরূপ তার সন্তানরা ভালো আছে। তার জীবন যেন ত্যাগের এক গল্প হয়ে থেকে যায়।

এভাবেই ফুলমণির জীবন সংগ্রামের মাঝে ছোট ছোট খুশির ছোঁয়া পায়, যদিও তার নিজের জীবনে সুখ বলতে ছিল না।

ধন্যবাদ 
মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম 



সহায়ক ট্রাফিক পুলিশ’ হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন ৭০০ শিক্ষার্থী, ডিউটি চার ঘণ্টা

 সহায়ক ট্রাফিক পুলিশ’ হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন ৭০০ শিক্ষার্থী, ডিউটি চার ঘণ্টা।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন



এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন শিক্ষার্থী ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা রিফ্লেকটিভ ইউনিফর্ম পরিহিত, যা তাদের সনাক্ত করা সহজ করে তুলেছে। শহরের ব্যস্ত একটি সড়কের মোড়ে দাঁড়িয়ে তারা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং পথচারীদের রাস্তা পার হতে সাহায্য করছেন। পেছনে শহরের বড় বড় বিল্ডিং এবং গাড়ি দেখা যাচ্ছে, যা ছবির নগর পরিবেশকে ফুটিয়ে তুলেছে। ছবিটি শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হওয়ার উদ্যম ও ইতিবাচক মনোভাবকে তুলে ধরে।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন


ধন্যবাদ 

মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম

Wednesday, October 30, 2024

একজন রিকশাচালকের ছেলের সফলতার গল্প ,

 একজন রিকশাচালকের ছেলের সফলতার গল্প 

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন,,


 কিছু গল্প থাকে যা শুধু সফলতার নয়, বরং সংগ্রাম, প্রত্যয়ের উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হয়। একজন রিকশাচালকের ছেলের জীবনও তেমন একটি গল্প।


রাকিবের বাবা ছোটবেলায় তাকে সবসময়ই বলতেন, "শিক্ষাই হলো তোমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ হাতিয়ার।" বাবার সামান্য আয়ে দিন চালানোই ছিল কষ্টের; তবুও বাবা কখনো হাল ছাড়েননি। সেই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও রাকিবের পড়াশোনা বন্ধ হয়নি। বাবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং নিজেও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে রাকিব স্কুলে ভালো ফলাফল করতো।


একসময় রাকিবের স্কুলে পড়ার খরচ চালানোও বাবার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে, কিন্তু রাকিব পড়াশোনায় এতটাই মেধাবী ছিল যে, স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে বৃত্তির ব্যবস্থা করে দেয়। ধীরে ধীরে উচ্চশিক্ষার জন্য সে বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করতে থাকে এবং দেশের একটি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সে ভর্তি হয়।


বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে রাকিব একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি পায়। বাবার স্বপ্ন সত্যি করার জন্য রাকিব নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করে যায়। একদিন সে বড় কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সাফল্যের পেছনে ছিল তার বাবার আত্মত্যাগ, যিনি সারাজীবন রিকশা চালিয়ে ছেলের জন্য পথ তৈরি করেছিলেন।


রাকিব আজ সমাজে এক উদাহরণ। সে তার বাবার ত্যাগ, সংগ্রামকে কখনো ভুলেনি। সে এখন সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা করে এবং বাবার কষ্টকে সার্থক করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।


এই গল্পটি আমাদের শেখায়, অর্থ নয়, ইচ্ছা আর চেষ্টা মানুষকে সফলতার পথে নিয়ে যেতে পারে।

আরো দেখুন এখানে ক্লিক 

🥰ধন্যবাদ,,,,🥰

মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম

 

 

তাদের ছায়া”

 তাদের ছায়া” আরো কিছু জানতে এখানে ক্লিক করুন   একটি ছোট গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নিল রাহুল। বাবার ছিল না বড় কোনো চাকরি, আর মা ছিলেন গ...