তাদের ছায়া”
আরো কিছু জানতে এখানে ক্লিক করুন
Ho do are Money online| (online eraning ) make money online |Ho do are Money online| (online eraning )
তাদের ছায়া”
আরো কিছু জানতে এখানে ক্লিক করুন
গল্পের নাম: “নিজের লাভ”
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
গল্প: শেষ ঠিকানা
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
😭বাস্তব জীবনের মর্মান্তিক একটি গল্প চাই😭
একটি নিষ্পাপ স্বপ্নের করুণ পরিণতি
আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন,,,
সজীব ছিল একদম সাধারণ একটি ছেলে। বাবা ছিলেন দিনমজুর, মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই সজীবের স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে শিক্ষক হবে, বাচ্চাদের পড়াবে, সমাজে সম্মান পাবে। কিন্তু দরিদ্রতার কারণে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা চালাতে হয়েছিল তাকে।
কলেজে উঠার পর সজীব টিউশনি শুরু করল। সকালে ক্লাস, বিকেলে টিউশনি, রাতে নিজে পড়াশোনা—এই কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই তার দিন কাটত। কিন্তু এই কঠোর পরিশ্রমের মাঝেও সে কখনো তার স্বপ্ন থেকে সরে আসেনি।
একদিন হঠাৎই তার জীবনে নেমে এলো এক ভয়ানক বিপর্যয়। বাবার অসুস্থতা ধীরে ধীরে খারাপ হতে থাকল, চিকিৎসার জন্য দরকার অনেক টাকা। যে সামান্য উপার্জন করত, তা দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছিল, চিকিৎসা তো দূরের কথা!
চাপের মুখে পড়ে সজীব বাধ্য হয়ে আরও বেশি টিউশনি নিতে লাগল, কিন্তু নিজের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটতে থাকল। তবুও সে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল। তবে একসময় বাবার অবস্থার অবনতি হতে হতে একদিন হাসপাতালের বিছানায় চিরতরে থেমে গেল তার নিঃশ্বাস।
সজীব যেন একেবারে ভেঙে পড়ল। বাবাকে বাঁচাতে পারেনি, স্বপ্নও যেন ফিকে হতে থাকল। একদিকে পরিবারের দায়িত্ব, অন্যদিকে নিজের পড়াশোনা—সব মিলিয়ে সে দিশেহারা হয়ে পড়ল। একসময় আর টানতে পারল না, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আগের দিন রাতে একখণ্ড চিরকুট রেখে পৃথিবীকে বিদায় জানাল সে—
"আমি ক্লান্ত। খুব চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পারলাম না। মা, আমাকে ক্ষমা করো।"
সজীবের মৃত্যু কেবল তার পরিবারের জন্য নয়, সমাজের জন্যও এক ভয়ানক আঘাত হয়ে রইল। যেখানে তার উচিত ছিল স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাওয়া, সেখানে কঠিন বাস্তবতার শিকার হয়ে তাকে থেমে যেতে হলো।
এটি শুধু সজীবের গল্প নয়, আমাদের সমাজের অনেক হতভাগ্য তরুণের গল্প, যারা প্রতিদিন টিকে থাকার সংগ্রামে লড়ছে, কিন্তু সবসময় জয়ী
হতে পারে না...
মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম
মা ও বাবাকে নিয়ে একটি গল্প যা হৃদয়কে স্পর্শ করে
একটি শান্ত গ্রামে রমেশ আর তার স্ত্রী মাধুরী তাদের দীর্ঘ জীবনের স্মৃতিগুলোকে সাথে নিয়ে কাটাচ্ছিলেন। তাদের সন্তানরা শহরে চাকরি ও পড়াশোনার কারণে দূরে থাকত, তাই এই বৃদ্ধ দম্পতি একে অপরের সঙ্গেই জীবনের প্রতিটি দিন উপভোগ করতেন।
রমেশ প্রতিদিন সকালে উঠে বাগানে পানি দিতেন, আর মাধুরী রান্নাঘরে তার প্রিয় গাছের ফল-সবজি দিয়ে নতুন কিছু রান্না করতেন। তাদের দিনগুলো সাদামাটা ছিল, তবে তাতে ভালোবাসার কোনো কমতি ছিল না। সন্ধ্যায় দুজনে একসঙ্গে বেঞ্চে বসে চা খেতেন এবং পুরনো দিনের গল্প করতেন।
একদিন মাধুরী বললেন, "তোমার মনে আছে, কেমন করে আমরা প্রথম এই বাড়ি তৈরি করেছিলাম?" রমেশ হেসে উত্তর দিলেন, "কীভাবে ভুলব? তুমি তো নিজ হাতে গাছ লাগিয়ে এই বাগানটা সাজিয়েছিলে।"
তাদের এই ভালোবাসা আর একে অপরের প্রতি যত্ন দেখে আশপাশের লোকজনও মুগ্ধ হতো। তারা বলত, "এই বৃদ্ধ দম্পতি আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। ভালোবাসা কীভাবে সময়কে অতিক্রম করতে পারে, তা আমরা এদের থেকেই শিখি।"
একদিন তাদের সন্তানরা ছুটিতে এসে মা-বাবার জন্য সারপ্রাইজ দিলো। তারা সবাই একসঙ্গে সময় কাটালো, হাসি-মজায় ভরপুর সেই দিনটা যেন রমেশ আর মাধুরীর জন্য জীবনের নতুন অধ্যায় হয়ে উঠল।
এই গল্প আমাদের শেখায়, জীবনের সব চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে যদি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা ধরে রাখা যায়, তবে সময়ের সাথে সম্পর্ক আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।
একটি ছোট্ট শহরে নীরা নামে এক কিশোরী তার মা-বাবার সঙ্গে থাকত। নীরা ছিল তাদের একমাত্র সন্তান। তার মা ছিলেন দয়ালু ও নরম মনের মানুষ, আর বাবা ছিলেন শান্ত ও মজবুত একজন কর্মী। নীরার জন্য তার মা-বাবাই ছিল পুরো পৃথিবী।
তবে তাদের জীবনটা সহজ ছিল না। বাবা দিনের বেলা কাঠের কাজ করতেন, আর মা ঘরে সেলাইয়ের কাজ করতেন। দুজনে মিলেই নীরার ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করতেন। নীরা পড়াশোনায় খুব মেধাবী ছিল এবং তার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। মা-বাবা তার এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিজেদের প্রতিটা আনন্দ বিসর্জন দিয়েছিলেন।
একদিন নীরা জানতে পারে, তার বাবার একটা গুরুতর শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা দরকার। এই খবর শুনে নীরার মনে দুঃখের পাহাড় ভেঙে পড়ে। সে ভাবল, তার পড়াশোনার টাকা বাবার চিকিৎসার জন্য খরচ করাই উচিত।
নীরা মাকে এ কথা বলতেই মা তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেন, "তুই আমার স্বপ্ন। তোর স্বপ্ন পূরণ হলে, তাতেই আমাদের চিকিৎসা হবে।" বাবা হাসি দিয়ে বললেন, "আমার শরীর থেকে বড় তোর ভবিষ্যৎ। তুই আমাদের গর্ব।"
মা-বাবার এই ত্যাগ দেখে নীরার চোখ ভিজে যায়। সে প্রতিজ্ঞা করে, কঠোর পরিশ্রম করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করবে এবং মা-বাবার জন্য একটা ভালো জীবন গড়বে।
কয়েক বছর পর, নীরা একজন সফল ডাক্তার হয়ে ফিরে আসে। তার প্রথম আয় দিয়ে সে বাবার চিকিৎসা করায়। মা-বাবার মুখে গর্ব আর আনন্দের হাসি দেখে নীরা বুঝতে পারে, তাদের ভালোবাসাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।
এমন আত্মত্যাগ আর ভালোবাসা শুধু মা-বাবার পক্ষেই সম্ভব। তারা তাদের সন্তানের জন্য জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে নিবেদন করে, বিনিময়ে চায় কেবল সন্তা
নের সুখ।
Bangladesh
Army chief attends artillery commanders’ conference in Ctg
Bangladesh Army Chief General Waker-Uz-Zaman recently attended the 43rd Annual Commanders’ Conference of the Regiment of Artillery in Chattogram. Held at the Artillery Center and School in Halishahar, the event highlighted the artillery regiment's contributions to national defense and future readiness.
During the conference, General Waker-Uz-Zaman emphasized the need for modern and up-to-date training to tackle 21st-century challenges. He also laid the foundation stone for the Chattogram Army Medical College Hospital, a 500-bed facility near Khillapara, aimed at improving healthcare for military personnel and civilians alike.
Additionally, the Chief introduced and honored the newly formed Army Air Defense Corps, handing over its flag to the Adhoc Army Air Defense Directorate, signifying its operational commencement. Senior military officers and commanders from various artillery units attended the event.
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকের-উজ-জামান সম্প্রতি চট্টগ্রামে রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির ৪৩তম বার্ষিক কমান্ডার সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। হালিশহরের আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রতিরক্ষা এবং ভবিষ্যত প্রস্তুতিতে আর্টিলারি রেজিমেন্টের অবদান তুলে ধরা হয়।
সম্মেলনের সময়, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি চট্টগ্রাম আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, খিল্লাপাড়ার কাছে একটি 500 শয্যার সুবিধা, যার লক্ষ্য সামরিক কর্মীদের এবং বেসামরিক নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করা।
অতিরিক্তভাবে, প্রধান নবগঠিত আর্মি এয়ার ডিফেন্স কর্পসকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং সম্মান জানান, অ্যাডহক আর্মি এয়ার ডিফেন্স ডিরেক্টরেটের কাছে এর পতাকা হস্তান্তর করে, এটির অপারেশনাল শুরুর ইঙ্গিত দেয়। বিভিন্ন আর্টিলারি ইউনিটের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা ও কমান্ডাররা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বাঙালি জাতির সকাল ও বিকালের মনোরম দৃশ্য
আরো দেখুন,,,, এখানে ক্লিক করুন
বাঙালি জাতির সকালে ও বিকালের মনোরম দৃশ্যের বর্ণনা প্রকৃতির সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং গ্রামীণ জীবনের সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে।
সকালে:
বাঙালি গ্রামে ভোরবেলা একটি মনোমুগ্ধকর অনুভূতি নিয়ে আসে। সূর্যোদয়ের সোনালী আলো ধীরে ধীরে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে, আর শিশিরভেজা ঘাস এবং গাছপালার উপর পড়া রোদের আভা মনোরম দৃশ্য তৈরি করে। এই সময়টায় গ্রামের মানুষজন নিজেদের কাজ শুরু করতে বের হয়। কৃষকরা মাঠে যায়, বাড়ির মহিলারা গরুর দুধ দোহায় এবং পুকুরে ঘুঙুরে হাঁস-মুরগির দৌরাত্ম্যে গ্রামের পুকুরঘাট জীবন্ত হয়ে ওঠে। চারপাশে পাখির কিচিরমিচির শব্দ এবং মৃদু শীতল বাতাস ভোরের সৌন্দর্যকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে।
বিকেলে:
বিকেল বেলা গ্রামে একটি শান্তিময় আবহ নিয়ে আসে। দিনের কাজ শেষে কৃষকরা বাড়ি ফিরে আসে। এই সময় মাঠে খেলার দৃশ্য দেখা যায়, যেখানে শিশুরা ধুলো উড়িয়ে খেলতে মেতে ওঠে। বিকেলের পড়ন্ত রোদ এবং সূর্যাস্তের সময় আকাশের লালচে-গোলাপি আভা প্রকৃতির রঙিন ছবি আঁকে। পাখিরা দলবেঁধে ঘরে ফিরে যায়, আর সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে আলো-আঁধারির খেলা শুরু হয়। চারপাশে প্রদীপ বা আলো জ্বলে ওঠে, আর সন্ধ্যার পরিবেশ সবার মনে এক প্রশান্তির আমেজ ছড়িয়ে দেয়।
এইভাবেই, বাঙালি জাতির সকাল ও বিকালের প্রকৃতি ও জীবনের দৃশ্য আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অপূর্ব প্রতিচ্ছবি তুলে
ধরে।
ধন্যবাদ
মোঃ রবিউল ইসলাম
লালন ফকিরের বাস্তব জীবনের গল্প
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
জন্ম ও প্রাথমিক জীবন
লালন ফকিরের জন্মস্থান বা সঠিক জন্মতারিখ নিয়ে স্পষ্ট তথ্য নেই। ধারণা করা হয়, তিনি ১৭৭৪ সালের দিকে তৎকালীন বাংলা অঞ্চলের কুষ্টিয়া জেলার ছেউড়িয়াতে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও তাঁর জীবনের প্রথম দিকের ব্যাপারে তথ্য স্বল্পতা রয়েছে, প্রচলিত কাহিনীতে জানা যায় যে, তিনি খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন। লালন শৈশবেই গানের প্রতি আকৃষ্ট হন।
গুরুতর অসুস্থতা ও জীবন-পরিবর্তন
লালনের জীবনের এক বড় ঘটনা ঘটে যখন তিনি যাত্রার সময় নদীতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কুষ্টিয়ার নিকটবর্তী নদী কালিগঙ্গায় গোসল করতে গিয়ে তাঁর দেহে এক অদ্ভুত রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে অজ্ঞান অবস্থায় কূলের কাছে পড়েছিলেন তিনি। তখন সিরাজ সাঁই নামে এক মুসলিম সাধু তাঁকে উদ্ধার করে নিজের আশ্রমে নিয়ে যান। সেই সময়েই লালনের জীবনধারায় বিরাট পরিবর্তন আসে এবং তিনি মরমী সাধনা শুরু করেন।
আধ্যাত্মিক জীবন ও দর্শন
লালন বাউল মতবাদে বিশ্বাস করতেন, যা মূলত ধর্মীয় সংকীর্ণতার বিরোধিতা করে এবং মানবজাতির মধ্যে একতা ও সাম্যের বাণী প্রচার করে। তিনি নিজের সৃষ্ট বাউল গানের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক বিষয়, দেহতত্ত্ব ও গুরুতত্ত্ব নিয়ে গান রচনা করেন। তাঁর গানে তিনি সমাজে প্রচলিত জাত-পাত, ধর্মীয় ভেদাভেদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করেছেন এবং "মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি" বলে মানুষকে সৎ ও মানবিক হতে অনুপ্রাণিত করেছেন।
প্রভাব ও উত্তরাধিকার
লালনের গান বাংলা লোকসংগীত এবং বাউল সংগীতের অঙ্গনে বিরাট প্রভাব বিস্তার করেছে। তাঁর দর্শন ও জীবনবোধ শুধু বাংলার গ্রামীণ সমাজেই নয়, আধুনিক বাংলার সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং মানবতাবাদী চিন্তাধারার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি কোনও লিখিত গ্রন্থ রচনা করেননি; তবে তাঁর শিষ্যরা তাঁর গান ও ভাবনা সংরক্ষণ করেছেন, যা পরবর্তীতে গবেষণা ও সাহিত্যচর্চায় স্থান পেয়েছে।
মৃত্যু
লালন ফকির ১৮৯০ সালের ১৭ই অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পরও তাঁর সৃষ্টি ও বাণী বর্তমান সময়ে প্রাসঙ্গিক এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর গানের চ
র্চা অব্যাহত রয়েছে।
ধন্যবাদ
মোঃ রবিউল ইসলাম
Trump Dials Putin, Urges Him Not To Escalate War In Ukraine: Report
Following his recent election victory, President-elect Donald Trump reportedly called Russian President Vladimir Putin, urging him not to intensify military actions in Ukraine. Trump made the call from his Mar-a-Lago residence, emphasizing the U.S.'s significant military presence in Europe. This aligns with Trump’s campaign assertions that he could mediate an end to the Ukraine conflict. Though official statements from Trump’s team have not been issued, Kremlin spokesperson Dmitry Peskov noted the dialogue as “positive,” indicating a shift toward diplomacy rather than escalation.
তার সাম্প্রতিক নির্বাচনে জয়লাভের পর, প্রেসিডেন্ট-নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ফোন করে ইউক্রেনে সামরিক তৎপরতা জোরদার না করার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প তার মার-এ-লাগো বাসভবন থেকে এই আহ্বান জানিয়েছিলেন, ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সামরিক উপস্থিতির উপর জোর দিয়েছিলেন। এটি ট্রাম্পের প্রচারণার দাবির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে তিনি ইউক্রেন সংঘাতের অবসান ঘটাতে মধ্যস্থতা করতে পারেন। যদিও ট্রাম্পের দল থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সংলাপটিকে "ইতিবাচক" হিসাবে উল্লেখ করেছেন, যা ক্রমবর্ধমান না হয়ে কূটনীতির দিকে একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
গল্পের নাম "অন্য আলো"।
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
গল্পের সারসংক্ষেপ:
গ্রামের একটি ছোট্ট ছেলে, রহিম, তার জীবনকেই একমুখী মনে করত। দারিদ্র্যতার বেড়াজালে আটকে থাকা তার পরিবারে যেন কোনো স্বপ্নই পূরণ হওয়ার সুযোগ নেই। তার মা-বাবা সারাদিন কাজ করে কোনোভাবে দিন পার করলেও, রহিমের মন সবসময়ই উন্মুখ থাকে নতুন কিছু জানার জন্য। বই পড়ার শখ হলেও, বই কেনার সামর্থ্য নেই তাদের। একদিন, গ্রামের মেলা থেকে একটা পুরোনো বইয়ের পৃষ্ঠা পায় সে। পৃষ্ঠায় লেখা কয়েকটি লাইন তাকে ভীষণ প্রভাবিত করে।
তারপর থেকে সে ঠিক করে, যে করেই হোক, সে নিজেকে পড়াশোনায় এগিয়ে নিয়ে যাবে। প্রতিদিন সে গ্রামের পাঠশালায় যায়, যা করতে বেশ কষ্ট হয় তাকে। কারণ সেখানে প্রায়ই তার জন্য উপহাসের পরিবেশ তৈরি হয়, সে শিক্ষকদের সব কথাই ঠিকমতো বুঝতে পারে না বলে। তবে ধীরে ধীরে সে গ্রাম এবং বাইরে থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন বই পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে থাকে।
এদিকে রহিমের এই প্রচেষ্টা দেখে গ্রামের কিছু মানুষ তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। তারা ছোট্ট একটা পাঠাগার তৈরিতে সাহায্য করে। রহিম সেই পাঠাগারের বই পড়িয়ে গ্রামের ছোট ছেলেমেয়েদেরও অনুপ্রাণিত করে। সবাই তাকে ‘অন্য আলো’ বলে ডাকে, কারণ সে গ্রামের সকলকে আলোকিত করতে থাকে।
এক সময় রহিমের প্রচেষ্টার ফলাফল হিসেবে গ্রামের বেশ কিছু শিশুরা পড়াশোনায় অনেক এগিয়ে যায়, এবং তারা শহরে গিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করতে শুরু করে। রহিম নিজের জীবনের কষ্ট আর সংগ্রামের মাঝে অন্যের জীবনে আলো এনে তার জীবনকে পরিপূর্ণভাবে বদলে ফেলে।
এই গল্পের মূল বার্তা: জীবনে প্রতিকূলতা যতই থাকুক না কেন, কেউ যদি সত্যিকারের ইচ্ছে এবং কঠোর পরিশ্রম করে, তবে সে নিজেও বদলাতে পারে এবং অন্যের জীবনেও আলো ছড়িয়ে দিতে পারে।
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
সহায়ক ট্রাফিক পুলিশ’ হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন ৭০০ শিক্ষার্থী, ডিউটি চার ঘণ্টা।
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন শিক্ষার্থী ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা রিফ্লেকটিভ ইউনিফর্ম পরিহিত, যা তাদের সনাক্ত করা সহজ করে তুলেছে। শহরের ব্যস্ত একটি সড়কের মোড়ে দাঁড়িয়ে তারা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং পথচারীদের রাস্তা পার হতে সাহায্য করছেন। পেছনে শহরের বড় বড় বিল্ডিং এবং গাড়ি দেখা যাচ্ছে, যা ছবির নগর পরিবেশকে ফুটিয়ে তুলেছে। ছবিটি শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হওয়ার উদ্যম ও ইতিবাচক মনোভাবকে তুলে ধরে।
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
ধন্যবাদ
মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম
একজন রিকশাচালকের ছেলের সফলতার গল্প
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন,,
কিছু গল্প থাকে যা শুধু সফলতার নয়, বরং সংগ্রাম, প্রত্যয়ের উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হয়। একজন রিকশাচালকের ছেলের জীবনও তেমন একটি গল্প।
রাকিবের বাবা ছোটবেলায় তাকে সবসময়ই বলতেন, "শিক্ষাই হলো তোমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ হাতিয়ার।" বাবার সামান্য আয়ে দিন চালানোই ছিল কষ্টের; তবুও বাবা কখনো হাল ছাড়েননি। সেই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও রাকিবের পড়াশোনা বন্ধ হয়নি। বাবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং নিজেও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে রাকিব স্কুলে ভালো ফলাফল করতো।
একসময় রাকিবের স্কুলে পড়ার খরচ চালানোও বাবার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে, কিন্তু রাকিব পড়াশোনায় এতটাই মেধাবী ছিল যে, স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে বৃত্তির ব্যবস্থা করে দেয়। ধীরে ধীরে উচ্চশিক্ষার জন্য সে বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করতে থাকে এবং দেশের একটি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সে ভর্তি হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে রাকিব একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি পায়। বাবার স্বপ্ন সত্যি করার জন্য রাকিব নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করে যায়। একদিন সে বড় কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সাফল্যের পেছনে ছিল তার বাবার আত্মত্যাগ, যিনি সারাজীবন রিকশা চালিয়ে ছেলের জন্য পথ তৈরি করেছিলেন।
রাকিব আজ সমাজে এক উদাহরণ। সে তার বাবার ত্যাগ, সংগ্রামকে কখনো ভুলেনি। সে এখন সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা করে এবং বাবার কষ্টকে সার্থক করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই গল্পটি আমাদের শেখায়, অর্থ নয়, ইচ্ছা আর চেষ্টা মানুষকে সফলতার পথে নিয়ে যেতে পারে।
🥰ধন্যবাদ,,,,🥰
মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম
এক অসহায় মায়ের গল্প .....
এখানে সুভদ্রার সংগ্রামী জীবনকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যেখানে তার ক্লান্ত মুখে আশার ঝিলিক দেখা যাচ্ছে। এই ছবির গোলাপি ছোঁয়া তার শক্তি এবং মায়ের ভালোবাসার প্রতীক।
বিরহীরার সকালবেলা। মাধবপুরের ছোট্ট গ্রামে সদ্য ভোর হতে শুরু করেছে। মাটির কুঁড়েঘরে এক অসহায় মা বসে আছেন, চোখেমুখে ক্লান্তি আর দুশ্চিন্তার ছাপ। তার নাম সুভদ্রা। সংসারের যত দুঃখ-কষ্ট তাকে একাই বয়ে যেতে হয়, তার কাঁধে স্বামীর মৃত্যু পরবর্তী সমস্ত দায়ভার এসে পড়েছে। তার দুটি ছেলে-মেয়ে, ছোট ছোট দুটি প্রাণ যাদের মুখের দিকে তাকিয়ে সুভদ্রা একাকী সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।
সুভদ্রার স্বামী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান কয়েক বছর আগে। সংসার যে কীভাবে চলবে, সন্তানদের ভবিষ্যৎ কী হবে, সেই চিন্তায় তার মাথার উপর আকাশ ভেঙে পড়েছিল যেন। নিজের জমিজমা কিছুই নেই, অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোভাবে সংসার চালান তিনি। অল্প ক’টা টাকায় একদিকে ছেলেমেয়েদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া, অন্যদিকে তাদের পড়াশোনা করানো— সবটাই যেন এক পর্বতসম বোঝা।
প্রতিদিন সকালে সুভদ্রা মাঠে কাজ করতে যান। রোদে-পুড়ে ক্লান্ত হলেও সন্ধ্যাবেলা ঘরে ফিরে যখন ছেলেমেয়েদের হাসি মুখ দেখে, তখন তার সমস্ত কষ্ট যেন কিছুটা লাঘব হয়। সন্তানেরা একটু ভালো থাকবে, একটু মানুষ হবে— এই আশায় তিনি সবকিছু সহ্য করে যাচ্ছেন। তিনি জানেন, তারা বড় হয়ে ভালো কিছু করতে পারলে তার জীবনের সব কষ্ট সার্থক হবে।
রাতে সন্তানদের ঘুম পাড়িয়ে সুভদ্রা একা বসে থাকেন, তার মাথায় ঘুরপাক খায় দুশ্চিন্তা। কতভাবে তিনি ভাবেন কেমন করে সংসারের এই দারিদ্র্যের অন্ধকার থেকে আলোর দিকে যাওয়া যায়। তবু হাল ছাড়েন না তিনি। তার মনে বিশ্বাস, সংগ্রাম করে গেলে হয়তো কোনো একদিন সাফল্যের আলো দেখা মিলবেই।
![]() |
ধন্যবাদ
মোঃ রবিউল ইসলাম
গিফট কার্ড বনাস......
এই ধরনের গিফট কার্ড বোনাস সাধারণত উৎসব, প্রোমোশনাল অফার, বা নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সীমিত হয়ে থাকে।
Are you looking for a $5 gift card or a link to purchase one? If you're looking to claim or purchase a $5 gift card, I recommend visiting popular online platforms like:
Amazon
Google Play
Apple iTunes
Walmart
Target
These platforms often offer various amounts for gift cards, including $5. You can easily find and buy them through their websites or apps. Let me know if you'd like help navigating any specific store!
flower & human life story
Once upon a time, in a small village surrounded by hills and fields, lived a kind-hearted gardener named Mira. Mira had a deep connection with nature, especially with flowers. She spent her days tending to a beautiful garden filled with vibrant roses, sunflowers, lilies, and daisies. The flowers bloomed with such beauty that villagers often visited to enjoy their fragrance and colors.
One day, as Mira watered her garden, she noticed a small, withering flower at the edge of the plot. Its petals were pale, and its stem weak. Unlike the other flowers, it hadn't flourished. Mira felt a deep compassion for the flower, seeing it not as weak but as needing extra care. She whispered to it every day, "You are strong, and you are beautiful, just like the others. Grow in your time."
Days turned into weeks, and Mira continued to nurture the little flower, giving it just the right amount of sunlight, water, and love. Slowly but surely, the flower began to grow, its petals regaining color and its stem standing tall. Eventually, it blossomed into the most unique flower in the garden, with colors that no one had ever seen before. The villagers marveled at its beauty and resilience.
Mira smiled and realized something important: the flower was like life itself. Just as the flower needed time, patience, and care to grow, so do people. Every human, like a flower, has their own pace of blooming. Some grow quickly, while others take more time. But with the right care, attention, and a little love, everyone eventually blossoms into their full beauty.
The lesson stayed with Mira, and she shared it with the villagers, who began to treat not just their gardens, but also each other, with more kindness and patience. From then on, the village became known for both its stunning flowers and the warmth of its people. And the once withering flower, now strong and radiant, stood as a symbol of resilience, hope, and the beauty of life's slow, steady bloom.
এক সময় পাহাড়-মাঠে ঘেরা একটি ছোট্ট গ্রামে মীরা নামে এক সহৃদয় মালী থাকতেন। প্রকৃতির সঙ্গে মীরার গভীর সম্পর্ক ছিল, বিশেষ করে ফুলের সঙ্গে। প্রাণবন্ত গোলাপ, সূর্যমুখী, লিলি এবং ডেইজিতে ভরা একটি সুন্দর বাগানে তিনি তার দিনগুলি কাটিয়েছেন। ফুলগুলি এমন সৌন্দর্যে ফুটেছিল যে গ্রামবাসীরা প্রায়শই তাদের সুবাস এবং রঙ উপভোগ করতে যেতেন।একদিন, মীরা যখন তার বাগানে জল দিচ্ছিল, সে প্লটের প্রান্তে একটি ছোট, শুকনো ফুল লক্ষ্য করল। এর পাপড়ি ফ্যাকাশে এবং এর কান্ড দুর্বল। অন্যান্য ফুলের মতো, এটি ফুলে ওঠেনি। মীরা ফুলটির প্রতি গভীর সমবেদনা অনুভব করেছিল, এটিকে দুর্বল নয় বরং অতিরিক্ত যত্নের প্রয়োজন দেখে। সে প্রতিদিন ফিসফিস করে বলেছিল, "তুমি শক্তিশালী, আর তুমি সুন্দর, অন্যদের মতোই। তোমার সময় বাড়াও।"
দিনগুলি সপ্তাহে পরিণত হয়, এবং মীরা ছোট্ট ফুলটিকে লালনপালন করতে থাকে, এটি ঠিক পরিমাণে সূর্যালোক, জল এবং ভালবাসা দেয়। ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবে, ফুলটি বাড়তে শুরু করে, এর পাপড়ি রঙ ফিরে পায় এবং এর কান্ড লম্বা হয়। অবশেষে, এটি বাগানের সবচেয়ে অনন্য ফুলে ফুলে উঠেছে, এমন রঙের সাথে যা আগে কেউ দেখেনি। গ্রামবাসীরা এর সৌন্দর্য এবং স্থিতিস্থাপকতায় বিস্মিত হয়েছিল।
মীরা হাসল এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু বুঝতে পেরেছিল: ফুলটি জীবনের মতো ছিল। ফুলের বেড়ে ওঠার জন্য যেমন সময়, ধৈর্য এবং যত্নের প্রয়োজন, তেমনি মানুষেরও। প্রতিটি মানুষের, ফুলের মতো, প্রস্ফুটিত হওয়ার নিজস্ব গতি রয়েছে। কিছু দ্রুত বৃদ্ধি পায়, অন্যরা বেশি সময় নেয়। কিন্তু সঠিক যত্ন, মনোযোগ এবং একটু ভালবাসার সাথে, প্রত্যেকে অবশেষে তাদের পূর্ণ সৌন্দর্যে প্রস্ফুটিত হয়।
পাঠটি মীরার সাথেই ছিল, এবং তিনি এটি গ্রামবাসীদের সাথে ভাগ করে নিয়েছিলেন, যারা কেবল তাদের বাগান নয়, একে অপরের সাথে আরও দয়া এবং ধৈর্যের সাথে আচরণ করতে শুরু করেছিলেন। তারপর থেকে, গ্রামটি তার অত্যাশ্চর্য ফুল এবং এর মানুষের উষ্ণতার জন্য পরিচিত হয়ে ওঠে। এবং একসময় শুকিয়ে যাওয়া ফুল, এখন শক্তিশালী এবং দীপ্তিমান, স্থিতিস্থাপকতা, আশা এবং জীবনের ধীর, অবিচলিত প্রস্ফুটনের সৌন্দর্যের প্রতীক হিসাবে দাঁড়িয়েছে।
পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি খুবই সংবেদনশীল এবং ব্যক্তিগত জীবনের একটি জটিল দিক। যখন কেউ তার সঙ্গীর বিশ্বাসভঙ্গ করে পরকীয়া করে ধরা পড়ে, তখন সম্পর্কের মধ্যে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এটি সঙ্গীর মধ্যে আস্থা ভঙ্গ, মানসিক কষ্ট এবং সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে পারে।
এরপর কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হবে, তা সম্পূর্ণভাবে সেই ব্যক্তি বা দম্পতির উপর নির্ভর করে। কেউ কেউ এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য পরামর্শদাতা বা কাউন্সেলরের সাহায্য নিয়ে সম্পর্ক মেরামতের চেষ্টা করে, আবার কেউ কেউ সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়। যাই হোক না কেন, এমন পরিস্থিতিতে খোলামেলা ও পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রেখে আলোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একদিন এক ছোট শহরের একটি পাগল, যার নাম ছিল রাজু, সে সবার কাছে বেশ পরিচিত ছিল তার অদ্ভুত আচরণের জন্য। শহরের লোকেরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করত, আর সে সারাক্ষণ মনের আনন্দে হাসত আর বিভিন্ন অদ্ভুত কথা বলত। কেউ তাকে গুরুত্ব দিত না, কারণ সবাই ভাবত সে পাগল, তার কথার কোনও মূল্য নেই।
একদিন রাজু শহরের বাজারের মাঝখানে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলতে লাগল, "একদিন এই শহরে সোনার বৃষ্টি হবে, সবার জীবনে পরিবর্তন আসবে!" সবাই তাকে নিয়ে আরও বেশি হাসাহাসি শুরু করল, মনে করল সে আবার কোনো নতুন পাগলামি করছে।
কিন্তু কয়েক মাস পর, এক ব্যবসায়ী এই শহরে এসে একটি বড় কারখানা স্থাপন করল। সেই কারখানার জন্য শহরের অনেক লোক চাকরি পেল। ধীরে ধীরে শহরের অর্থনীতি বদলে গেল, আর রাজুর কথাগুলো সত্য হয়ে উঠল। শহরের লোকেরা বুঝতে পারল যে পাগল হলেও রাজুর কথার মধ্যে কিছু গভীরতা ছিল, যা তারা আগে বোঝেনি।
তারপর থেকে, শহরের মানুষ রাজুকে আর অবহেলা করত না। বরং তারা বুঝতে শিখেছিল যে কোনো মানুষের জ্ঞান বা কথা কখনও উপেক্ষা করা উচিত নয়, কারণ কখনও কখনও যাদের আমরা পাগল ভাবি, তাদের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে সত্যের দিশা।
তাদের ছায়া” আরো কিছু জানতে এখানে ক্লিক করুন একটি ছোট গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নিল রাহুল। বাবার ছিল না বড় কোনো চাকরি, আর মা ছিলেন গ...